, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুমারখালীতে চাচীর গোসলের ভিডিও ধারন করে চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই ভাতিজা গ্রেপ্তার। ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল চালক নিহত হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নেকসার আলীর মৃত্যু! ভাঙ্গায় কবরস্থানের মধ্যে ব্যান্ডেজ করা পলিথিন মোড়ানো এক খন্ড পা দেখার গেল সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আবদুল্লাহর সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন হাসনত তুহিন শৈলকূপায় ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ওয়ালটন পণ্য দিচ্ছে বিশাল মূল্য  ছাড়  ভাঙ্গায় মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রীকে বিয়ে করা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ , আহত-২ শৈলকূপায় জনতার হাতে আটক মেছো বাঘ তানোরে নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন আনসার কমান্ডার জামিরুল ইসলাম

পাবনায় বালু সন্ত্রাসীদের হামলায় সাংবাদিক আহত !! প্রশাসনের নিরবতায় ক্ষোভ

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • ২৩ পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাবনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ ও জনজীবন চরম সংকটে পড়েছে। এ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিবেদন করলে তাদের ওপর হামলা হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের ছবি তুলতে গিয়ে বালু সন্ত্রাসীদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন, সুজানগর প্রেসক্লাবের প্রস্তাবিত সভাপতি ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির। রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের কোলচরি গ্রামে তাকে বালু সিন্ডিকেটের সদস্য বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান, যুবনেতা কালা ফিরোজ,আরিফ,ছাত্রনেতা লম্বা ফিরোজ এর নেতৃত্বে দলবল নিয়ে মারধর করেন। বর্তমান সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।

সাংবাদিক মারধরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

দৈনিক যায়যায়দিন-এর সুজানগর প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে এই হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন’। সংগঠনটির সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা এক বিবৃতিতে বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়”। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান, পাবনার সাংবাদিক সমাজ।অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ ও জনজীবন হুমকির মুখে পড়ছে। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
জানা গেছে, এর আগে সুজানগরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামানকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায় বালু খেকো বিএনপির নেতাকর্মীরা। ওইদিন জামায়াতের নেতা কর্মীরা তাদের হাতে মার খান।

পদ্মা পাড়ের অস্তিত্ব হুমকির মুখে

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের কোলচরি,শুকচর , গোহাইল বাড়ী গ্রামে এবং সুজানগরের হাসামপুর, বড়খাপুর ও নাজিরগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে নদী ভাঙনের শিকার হচ্ছে এলাকার শত শত বাড়িঘর, ফসলি জমি,গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলনের ফলে বরখাপুর, হাসামপুর, কামারহাট, গোয়ারিয়া ও মালফিয়া গ্রামের মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এমনকি নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসও হুমকির মুখে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযান চালিয়ে শ্রমিক বা ছোটখাটো ব্যবসায়ীদের জরিমানা করলেও বালু সিন্ডিকেটের শীর্ষ নেতাদের ধরতে প্রশাসনের অনীহা রয়েছে।
জানা গেছে, সুজানগরে অন্তত ১০টি স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে।

পাবনায় বালু সন্ত্রাসীদের হামলায় সাংবাদিক আহত !! প্রশাসনের নিরবতায় ক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাবনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ ও জনজীবন চরম সংকটে পড়েছে। এ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিবেদন করলে তাদের ওপর হামলা হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের ছবি তুলতে গিয়ে বালু সন্ত্রাসীদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন, সুজানগর প্রেসক্লাবের প্রস্তাবিত সভাপতি ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির। রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের কোলচরি গ্রামে তাকে বালু সিন্ডিকেটের সদস্য বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান, যুবনেতা কালা ফিরোজ,আরিফ,ছাত্রনেতা লম্বা ফিরোজ এর নেতৃত্বে দলবল নিয়ে মারধর করেন। বর্তমান সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।

সাংবাদিক মারধরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

দৈনিক যায়যায়দিন-এর সুজানগর প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে এই হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন’। সংগঠনটির সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা এক বিবৃতিতে বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়”। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান, পাবনার সাংবাদিক সমাজ।অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ ও জনজীবন হুমকির মুখে পড়ছে। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
জানা গেছে, এর আগে সুজানগরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামানকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায় বালু খেকো বিএনপির নেতাকর্মীরা। ওইদিন জামায়াতের নেতা কর্মীরা তাদের হাতে মার খান।

পদ্মা পাড়ের অস্তিত্ব হুমকির মুখে

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের কোলচরি,শুকচর , গোহাইল বাড়ী গ্রামে এবং সুজানগরের হাসামপুর, বড়খাপুর ও নাজিরগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে নদী ভাঙনের শিকার হচ্ছে এলাকার শত শত বাড়িঘর, ফসলি জমি,গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলনের ফলে বরখাপুর, হাসামপুর, কামারহাট, গোয়ারিয়া ও মালফিয়া গ্রামের মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এমনকি নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসও হুমকির মুখে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযান চালিয়ে শ্রমিক বা ছোটখাটো ব্যবসায়ীদের জরিমানা করলেও বালু সিন্ডিকেটের শীর্ষ নেতাদের ধরতে প্রশাসনের অনীহা রয়েছে।
জানা গেছে, সুজানগরে অন্তত ১০টি স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে।